অতিথি

উত্তরপ্রবেশ



পুরোনো সময় সুর ঢের কেটে গেল।
যদি বলা যেতঃ
সমুদ্রের পারে কেটে গেছে,
সোনার বলের মতো সূর্য ছিলো পূবের আকাশে-
সেই পটভূমিকায় ঢের
ফেনশীর্ষ ঢেউ,
উড়ন্ত ফেনার মতো অগণন পাখি।
পুরোনো বছর দেশ ঢের কেটে গেল
রোদের ভিতরে ঘাসে শুয়ে;
পুকুরের জল থেকে কিশোরের মতো তৃপ্ত হাতে
ঠাণ্ডা পানিফল, জল ছিঁড়ে নিতে গিয়ে;
চোখের পলকে তবু যুবকের মতো
মৃগনাভিঘন বড়ো নগরের পথে
কোনো এক জগতে
চোখের নিমেষে পড়েছিলো।

সেইখানে সূর্য তবু অস্ত যায়।
পুনরুদয়ের ভোর আসে
মানুষের হৃদয়ে অগোচর
গম্বুজের উপরে আকাশে।
এ ছাড়া দিনের কোনো সুর
নেই;
বসন্তের অন্য সাড়া নেই।
অগণন প্লেন
অগণ্য এয়ারোড্রোম
য়ে গেছে।
চারিদিকে উঁচু-নিচু অন্তহীন নীড়-
লেও বা হয়ে যেতো পাখির মতন কাকলির
আনন্দে মুখর;

সেইখানে ক্লান্তি তবু-
ক্লান্তি_ ক্লান্তি;
কেন ক্লান্তি;
তা ভেবে বিস্ময়;
সেইখানে মৃত্যু তবু;
এই শুধু-
এই;
চাঁদ আসে একলাটি,
নক্ষত্রেরা দল বেঁধে আসে;
দিগন্তের সমুদ্রের থেকে হাওয়া প্রথম আবেগে
এসে তবু অস্ত যায়;
উদয়ের ভোরে ফিরে আসে
আপামর মানুষের হৃদয়ের অগোচর
রক্ত হেডলাইনের- রক্তের উপরে আকাশে।
এ ছাড়া পাখির কোনো সুর-
বসন্তের অন্য কোনো সাড়া নেই।

নিখিল অ নীড় জনমানবের সমস্ত নিয়মে
সজন নির্জন হয়ে থেকে
ভয় প্রেম জ্ঞান ভুল আমাদের মানবতা রোল
উত্তরপ্রবেশ করে আরো বড়ো চেতনার লোকে;
অনন্ত সূর্যের অস্ত শেষ করে দিয়ে
বোতশোক হে অশোক সঙ্গী ইতিহাস,
এ-ভোর নবীন বলে মেনে নিতে হয়;
এখন তৃতীয় অঙ্ক অতএব; আগুনে আলোয় জ্যোতির্ময়।

ই বুক